তেহরান: ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি এবং দেশের অবনতিশীল অর্থনৈতিক পরিস্থিতির বিরুদ্ধে ইরানে কয়েকদিন ধরে বিক্ষোভ চলছে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়ে একটি বিবৃতি জারি করেছে, এটিকে ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে “হস্তক্ষেপ” বলে অভিহিত করেছে।
শুক্রবার ট্রাম্প ইরানে চলমান বিক্ষোভ সম্পর্কে ইরান সরকারকে সতর্ক করেছেন এবং বিক্ষোভকারীদের সমর্থনের আশ্বাস দিয়েছেন।
তিনি বলেছেন, “যদি ইরান শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের গুলি করে নির্মমভাবে হত্যা করে, যেমনটি তাদের অভ্যাস, তাহলে আমেরিকা তাদের উদ্ধারে এগিয়ে আসবে।”
বিবিসি অনুসারে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ট্রাম্পের বক্তব্যের জবাবে বলেছে, “এই ধরণের দায়িত্বজ্ঞানহীন মনোভাব ইরানের প্রতি আমেরিকার হুমকি এবং অবৈধ মনোভাবের একটি সম্প্রসারণ। এটি কেবল জাতিসংঘের সনদ এবং আন্তর্জাতিক আইনের মৌলিক নীতি ও নিয়মের চরম লঙ্ঘন নয়, বরং ইরানি নাগরিকদের বিরুদ্ধে সহিংসতা ও সন্ত্রাসবাদের প্ররোচনার শামিল।”
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সতর্ক করে বলেছে যে “এই ধরনের পরিস্থিতি পুরো অঞ্চলকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে এবং এর পরিণতির জন্য মার্কিন সরকারই একমাত্র দায়ী থাকবে।”
ইরানের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির অবনতি এবং মুদ্রাস্ফীতির বিরুদ্ধে গত ছয় দিন ধরে বিক্ষোভ চলছে। বেশ কয়েকটি শহরে বিক্ষোভকারী এবং নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে।
এই সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন নিহত হয়েছেন। পুলিশ বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করেছে।










