খার্গ দ্বীপে হামলার পর ইরানের হুমকি সংযুক্ত আরব আমিরাতকে: তিনটি বন্দর খালি করার আহ্বান

Untitled-design-2024-06-16T195904.730-780x470

নয়াদিল্লি: উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতের তিনটি বন্দর খালি করার আহ্বান জানিয়েছে। প্রতিবেশী কোনো দেশের অ-আমেরিকান সম্পদের উপর প্রকাশ্যে হামলার হুমকি দেওয়ার ঘটনা এই প্রথম বলে মনে করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রভাবিত দেশগুলিকে হরমুজ প্রণালীকে সুরক্ষিত রাখতে জাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছেন। এই সামুদ্রিক পথটি বিশ্বব্যাপী তেল সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ইরানের অভিযোগ, খার্গ দ্বীপে হামলা চালাতে যুক্তরাষ্ট্র সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত “বন্দর, জেটি ও ঘাঁটি” ব্যবহার করেছে। এই কারণে ইরান ওইসব এলাকা থেকে সাধারণ মানুষকে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
অন্যদিকে লেবাননে মানবিক সংকট আরও গভীর হয়েছে। ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ জঙ্গিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েল একাধিক হামলা চালিয়েছে। এতে ৮০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং প্রায় ৮ লক্ষ ৫০ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন যে যুক্তরাষ্ট্র উপকূলীয় এলাকায় বোমাবর্ষণ অব্যাহত রাখবে এবং ইরানের জাহাজ ও নৌযানকে লক্ষ্যবস্তু করবে। তিনি চীন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ব্রিটেনসহ অন্যান্য দেশকে হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের উপর একটি বড় হামলা শুরু করে। এর জবাবে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে হামলা বাড়িয়ে দিয়েছে, যার ফলে সামুদ্রিক যাতায়াত ব্যাহত হয়েছে।
শনিবার ইরাকের রাজধানী বাগদাদে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস প্রাঙ্গণের হেলিপ্যাডে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটে। অন্যদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরা বন্দরে একটি চালকবিহীন উড়ন্ত যন্ত্র পড়ে আগুন লেগে যায়।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানান, খার্গ দ্বীপ ও আবু মুসা দ্বীপের কাছাকাছি স্থান থেকে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালিয়েছে। তিনি ঘটনাটিকে বিপজ্জনক বলে উল্লেখ করলেও জানান, ইরান জনবসতিপূর্ণ এলাকায় হামলা চালাবে না।

About Author

Advertisement