কোচবিহার: কোচবিহার পৌরসভার নতুন চেয়ারম্যান হলেন দিলীপ সাহা। তৃণমূলের রাজ্য নেতৃত্বে নির্দেশে রবীন্দ্রনাথ ঘোষ চেয়ারম্যানের পথ থেকে পদত্যাগ করার সাত দিনের মাথায় কোচবিহার পৌরসভা পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর দিলীপ সাহা পুরসভার চেয়ারম্যান হিসেবে শপথ নিলেন। বাম আমলে দিলীপ সাহা দলের প্রথম কাউন্সিলর হন ।তারপর থেকে একাধিকবার জিতে ওয়ার্ড ধরে রেখেছেন দিলীপ। সেই দিলীপের উপরই আস্থা রাখল তৃণমূল নেতৃত্ব। বুধবার কোচবিহার পৌরসভার নতুন চেয়ারম্যান হিসাবে তার নাম প্রস্তাব করেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আমিনা আহমেদ। এরপর ওপর দুই কাউন্সিলর আমিনা আহমেদের প্রস্তাবকে সমর্থন জানান। দ্বিতীয় কোন নাম না আসায় চূড়ান্ত হয় দিলীপ সাহার নাম চেয়ারম্যান হিসেবে। এদিকে দিন বোর্ড অফ কাউন্সিলের মিটিংয়ে দেখা যায়নি, প্রাক্তন চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ কে। গত ১১ ই জানুয়ারি পৌরসভার পৌরসভার চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঘোষ।গত ১৩ই জানুয়ারি পৌরসভার বোর্ড মিটিং শেষে সাত দিনের জন্য চেয়ারম্যান পদের দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন ভাইস চেয়ারম্যান আমিনা আহমেদ।সাত দিন পর এদিন পুনরায় কোচবিহার পৌরসভায় বোর্ড মিটিং হয়।অধিকাংশ কাউন্সিলরদের উপস্থিতিতে নতুন চেয়ারম্যান হলেন কোচবিহার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর দিলীপ সাহা।তাকে সংবর্ধনা জানালেন কোচবিহার পৌরসভার সকল কাউন্সিলরগণ। জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তথা কাউন্সিলর অভিজিৎ দে ভৌমিক নিজেও এদিন পৌরসভায় উপস্থিত ছিলেন। কোচবিহার বাসীর প্রত্যাশা পূরণে কাজ করার কথা বলেন অভিজিৎ বাবু।তিনি বলেন, দলের নির্দেশে দিলীপ সাহা কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।নতুন বোর্ড মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করবে জানান অভিজিৎ দে ভৌমিক।সাত দিনের মধ্যে ব্যবসায়ী সমিতির সঙ্গে জটিলতা মিটবে বলে জানান তিনি। বাসিন্দাদের সঙ্গে ট্যাক্স সংক্রান্ত অভিযোগ নিয়েও যে মতানৈক্য হচ্ছিল সেটাও থাকবেনা।চেয়ারম্যান হওয়ার পর দিলীপ সাহা বলেন, ১৯৮৫ সাল থেকে ছাত্র রাজনীতির সাথে যুক্ত হয়ে পড়ি। পরবর্তীতে একাধিকবার কলেজে ছাত্র সংগঠনের হয়ে লড়াই করেছি। তৃণমূল গঠন হওয়ার পর তৃণমূলে যোগদান করি। সে সময় যে কয়েকজন ছিলেন তার মধ্যে রবীন্দ্রনাথ ঘোষ ছাড়াও আমি ছিলাম অন্যতম। আগামী দিনে শহরবাসী সকলকে সঙ্গে নিয়ে এলাকার উন্নয়নকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই আমার লক্ষ্য।











