বারাণসী: চেন্নাইয়ের শাস্ত্রীয় তামিল কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠান এবং কাশী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারতীয় ভাষা বিভাগের যৌথ উদ্যোগে কবয়িত্রী অভৈয়ার রচিত দ্বাদশ শতাব্দীর তামিল ভাষার শাস্ত্রীয় গ্রন্থ ‘কোন্দ্রৈ ভেন্ডন’-কে ভারতীয় ও বিদেশি ভাষায় অনুবাদের উদ্দেশ্যে আয়োজিত তিনদিনব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধন উপাচার্য প্রফেসর অজিত কুমার চতুর্বেদী করেন।
এই কর্মশালার উদ্দেশ্য হলো তামিল গ্রন্থ ‘কোন্দ্রৈ ভেন্ডন’-কে ত্রিশেরও বেশি ভারতীয় ভাষা এবং সাতেরও বেশি বিদেশি ভাষায় অনুবাদ করা। ‘কোন্দ্রৈ ভেন্ডন’ তামিল ভাষার নৈতিক ও সামাজিক মূল্যবোধসম্পর্কিত একটি সুপরিচিত গ্রন্থ।
এই উপলক্ষে উপাচার্য প্রফেসর অজিত কুমার চতুর্বেদী কাশী তামিল সঙ্গমের উল্লেখ করে তামিল ভাষার শাস্ত্রীয় ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি এবং তার প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে আলোকপাত করেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ভাষা অধ্যয়নের প্রতি উৎসাহিত করার ওপর জোর দেন।
কলা অনুষদের প্রধান প্রফেসর সুষমা ঘিলডিয়াল কলা অনুষদকে কাশী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের মাতৃ অনুষদ হিসেবে তুলে ধরে বিভিন্ন ভাষার পাঠদানের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
ভারতীয় ভাষা বিভাগের সভাপতি প্রফেসর দিবাকর প্রধান বক্তব্যে ভারতীয় ভাষার ঐতিহাসিক গুরুত্ব এবং অনুবাদের বিস্তৃত ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করে স্বাগত ভাষণ দেন।
এছাড়াও ইতিহাস বিভাগের আচার্য প্রফেসর গঙ্গাধরণ তামিল সাহিত্যে ‘কোন্দ্রৈ ভেন্ডন’-এর স্থান, গুরুত্ব এবং উপযোগিতা সম্পর্কে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন।
অপরাহ্নের কারিগরি অধিবেশনে ফরাসি অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপিকা প্রফেসর বাসুমতি বদ্রিনাথন অনুবাদের সমস্যা ও তার সমাধান নিয়ে আলোচনা করেন এবং নির্বাচিত গ্রন্থাংশের ভাষাগত রূপান্তরের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। ৪০টি ভাষার অংশগ্রহণকারী অনুবাদকরা আলোচনায় অংশ নেন। সব অনুবাদ শাস্ত্রীয় তামিল কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠান থেকে প্রকাশিত হবে বলে জানানো হয়েছে। ১৮ ও ১৯ এপ্রিলের কারিগরি অধিবেশনে ৯১টি পঙ্ক্তির পদ অনুবাদ করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।









