নয়াদিল্লি: ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধে থাকা সময়ে রাশিয়ায় কোটিপতিদের সংখ্যা রেকর্ড স্তরে পৌঁছেছে।
কিন্তু প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ২৫ বছরের শাসনকালে ‘অলিগার্ক’ নামে পরিচিত ধনী ও প্রভাবশালী ব্যক্তিরা প্রায় পুরোপুরি তাদের রাজনৈতিক প্রভাব হারিয়েছেন।
রুশ প্রেসিডেন্টের জন্য এটি ভালো খবর যে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞাগুলো ধনী শ্রেণিকে তার বিরোধী বানাতে পারেনি, আর পুতিনের কঠোরতা ও পুরস্কৃত করার নীতি তাদেরকে নীরব সমর্থকে পরিণত করেছে।
সাবেক ব্যাংকিং ধনকুবের ওলেগ টিঙ্কভ ভালো করেই জানেন, এই কঠোরতা কীভাবে কাজ করে।
ইনস্টাগ্রামে যুদ্ধকে ‘উন্মাদনা’ বলে পোস্ট করার পরের দিনই তার কর্মকর্তাদের সঙ্গে ক্রেমলিন (প্রেসিডেন্ট ভবন) থেকে যোগাযোগ করা হয়।
তাদের জানানো হয়, যদি ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতার সঙ্গে সব সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন না করা হয়, তাহলে তখন রাশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম ব্যাংক হিসেবে থাকা টিঙ্কভ ব্যাংককে সরকারি নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হবে।
টিঙ্কভ নিউইয়র্ক টাইমস-কে বলেন, “আমি দামের ব্যাপারে কোনো কথা বলতে পারতাম না। এটা যেন জিম্মি করে রাখা, যা দেওয়া হয়েছে, তাই নিতে হয়েছে। দর-কষাকষির কোনো সুযোগই ছিল না।”
এক সপ্তাহের মধ্যেই ভ্লাদিমির পোটানিনের সঙ্গে যুক্ত একটি কোম্পানি ব্যাংকটি কেনার ঘোষণা দেয়। বর্তমানে পোটানিন রাশিয়ার পঞ্চম সর্বাধিক ধনী ব্যবসায়ী, এবং যুদ্ধবিমান ইঞ্জিনের জন্য নিকেল সরবরাহ করে থাকেন।









