দুবাই: ইসরায়েলের হামলায় ইরানের দুই শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলি লারিজানি এবং জেনারেল গুলাম রেজা সোলেমানি নিহত হয়েছেন। দুজনকেই ইরানের ক্ষমতা কাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হতো।
লারিজানি ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব ছিলেন, আর সোলেমানি ‘রেভলিউশনারি গার্ড’-এর স্বেচ্ছাসেবী ‘বাসিজ’ বাহিনীর প্রধান ছিলেন। ইরান তাদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
এই হামলার জবাবে ইরান বুধবার ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে সাইরেন বেজে ওঠে এবং তেল আবিবে জোরালো বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। জরুরি পরিষেবার তথ্য অনুযায়ী, তেল আবিবের কাছে রামাত গান এলাকায় দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।
ইরান সৌদি আরব, কুয়েত এবং অন্যান্য উপসাগরীয় দেশের দিকেও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করেছে, যদিও অধিকাংশ হামলা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতিহত করা হয়েছে।
ইসরায়েলের দাবি, ইরানের শাসনব্যবস্থাকে দুর্বল করার উদ্দেশ্যে এই অভিযান চালানো হয়েছে। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানান, ওই কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয় এবং তেহরানে ‘বাসিজ’-এর ১০টিরও বেশি ঘাঁটিতে আঘাত হানা হয়েছে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, এই অভিযানের উদ্দেশ্য ইরানের সরকারকে দুর্বল করা। তবে এখন পর্যন্ত ইরানে বড় ধরনের বিক্ষোভের কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি।
এই ঘটনার পর বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার নিয়ে উদ্বেগ বেড়ে গেছে। ইরান স্পষ্ট করে দিয়েছে যে হরমুজ প্রণালীর ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ শিথিল করা হবে না, যেখান দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেলের সরবরাহ পরিবাহিত হয়।








