কলম্বো: শ্রীলঙ্কা বৃহস্পতিবার জানিয়েছে যে আরেকটি ইরানি জাহাজ তাদের জলসীমায় প্রবেশের অনুমতির আবেদন করেছে এবং এই বিষয়ে তারা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের বিষয়ে বিবেচনা করছে। এই ঘোষণা আসে এমন সময়ে যখন এক দিন আগে শ্রীলঙ্কার কাছাকাছি ইরানের একটি নৌযান (ফ্রিগেট) হামলার শিকার হয়েছিল।
শ্রীলঙ্কার কর্মকর্তারা বুধবার জানান যে তারা শ্রীলঙ্কার দক্ষিণ উপকূলের কাছে মার্কিন পনডুবীর হামলার পর ডুবে যাওয়া ‘আইরিস দেনা’ নামের ইরানি জাহাজ থেকে প্রায় ৮০ ইরানি নাবিকের মরদেহ উদ্ধার করেছে। সরকারের মুখপাত্র ও মন্ত্রী নলিন্দা জয়তিসা সংসদে প্রধান বিরোধী নেতা সাজিত প্রেমদাসার দ্বিতীয় ইরানি জাহাজ সম্পর্কিত প্রশ্নের জবাবে বলেন, “আমরা এ বিষয়ে সচেতন এবং জাহাজে থাকা সকলের জীবন সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয় বিবেচনা করছি।”
তিনি বলেন, “আমরা এই সমস্যার সমাধানের জন্য হস্তক্ষেপ করছি যাতে আঞ্চলিক শান্তি বজায় থাকে।” জয়তিসা উল্লেখ করেন যে জাহাজটি শ্রীলঙ্কার বিস্তৃত অর্থনৈতিক অঞ্চলে অপেক্ষা করছে, তবে তা শ্রীলঙ্কার জলসীমার বাইরে অবস্থান করছে। সূত্রের খবর, জাহাজটি জরুরি সহায়তার আবেদন করেছে।
এই পরিস্থিতিতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টর্পিডো হামলার লক্ষ্য হওয়া জাহাজের বেঁচে থাকা নাবিকদের চিকিৎসা করা হচ্ছে। হাসপাতালে সূত্রের মতে, তাদের আহত অবস্থাও গুরুতর নয়।
মৃত ৮৪ ইরানি নাবিকের মরদেহের ময়নাতদন্ত গল জেলার কারাপিটিয়া হাসপাতালে সম্পন্ন করা হবে। একই হাসপাতালে আহতদের চিকিৎসা চলমান রয়েছে। যে জাহাজে হামলা হয়েছিল, তা নৌবাহিনীর পর্যালোচনা অনুশীলনের পর ভারতের বিশাখাপত্তনম থেকে দেশে ফেরার পথে ছিল। শ্রীলঙ্কার নৌবাহিনী এই বিষয়ে জানানি কেন জাহাজ জরুরি বার্তা পাঠিয়েছিল, তবে মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী প্যাট হেগসেথের মতে, একটি মার্কিন পনডুবী আন্তর্জাতিক জলসীমায় একটি ইরানি যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়েছে।









