দুবাই: পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা বাড়তে থাকায় ইরান শুক্রবার একাধিক স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। কুয়েতের লবণাক্ত জল মিষ্টিকরণ কেন্দ্র ও তেল শোধনাগারে আগুন লেগেছে। এদিকে আমেরিকা ও ইসরায়েল ইরানের ওপর বিমান হামলা চালিয়েছে।
আমেরিকা ও ইসরায়েলের দাবি, ইরানের সামরিক সক্ষমতা প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে। তবে এর পরেও তেহরান চাপ বজায় রেখেছে। হরমুজ প্রণালীর ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ এবং জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর হামলার ফলে তেলের দামে উল্লম্ফন এবং বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।
ইরানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ জাওয়াদ জারিফ বলেছেন, “দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ জীবন ও সম্পদের বড় ক্ষতি ডেকে আনবে। ইরানের উচিত তার পারমাণবিক কর্মসূচিতে সীমা আরোপ করে প্রণালী খুলে দেওয়া এবং এর বিনিময়ে তার ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা।”
কুয়েতের মিনা আল-আহমাদি তেল শোধনাগারের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে এবং এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, “আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহ আমেরিকা ইরানের ওপর কঠোর আঘাত অব্যাহত রাখবে।”









