নয়াদিল্লি: যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য বৃহৎ সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি জোরদার করেছে। বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র তাদের দুটি যুদ্ধজাহাজ মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করেছে এবং বিপুল সংখ্যক যুদ্ধবিমানকে সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। বিশেষ বাহিনী মোতায়েনের খবরও পাওয়া যাচ্ছে।
এদিকে ইরান পাল্টা কৌশল হিসেবে রাশিয়ার সঙ্গে যৌথ নৌ-মহড়া শুরু করেছে। ওমান উপসাগর ও উত্তর ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে দুই দেশের নৌবাহিনী যুদ্ধাভ্যাস চালাচ্ছে। মহড়ার সময় কথিতভাবে ছিনতাই হওয়া একটি জাহাজ উদ্ধারের যৌথ অভিযানও পরিচালিত হয়েছে।
ইরানের সেনাবাহিনী এবং ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী এর ইউনিটগুলো ক্ষেপণাস্ত্রবাহী যুদ্ধজাহাজ, হেলিকপ্টার, অবতরণযান ও বিশেষ অভিযানের দল নিয়ে এই মহড়ায় অংশ নিয়েছে। হরমুজ প্রণালী অঞ্চলে সাম্প্রতিক সামরিক মহড়ার পরই এই অনুশীলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে সমঝোতার জন্য ১০ থেকে ১৫ দিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। তিনি সতর্ক করেছেন, নির্ধারিত সময়ের পর গুরুতর পরিণতি হতে পারে। জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের বিমানবাহী রণতরী, ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড কে ওই অঞ্চলে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে, যেখানে আগে থেকেই— ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন মোতায়েন রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে অঞ্চলে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।









