আমেরিকার হামলার পর ইরানের পাল্টা জবাব, অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধি

USA vs Iran

দুবাই: যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। মঙ্গলবার ভোরে আমেরিকার হামলায় ইসফাহান শহরের একটি পারমাণবিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করা হয়, আর এর জবাবে ইরান দুবাই উপকূলের কাছে একটি কুয়েতি তেল ট্যাংকারে হামলা চালিয়েছে।
সূত্র অনুযায়ী, ইসফাহানে হামলার পর বড় অগ্নিকাণ্ড ঘটে এবং আকাশে ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে। এটি সেই একই এলাকা যেখানে গত বছরের জুন মাসে আমেরিকার অভিযান হয়েছিল। ধারণা করা হয়, এখানে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুদ রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হামলার ভিডিও শেয়ার করে বলেছেন যে সংঘর্ষবিরতির জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চলছে।
এদিকে, ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে হামলা বাড়িয়ে দুবাইয়ের জলসীমায় একটি কুয়েতি তেল ট্যাংকারকে ড্রোন দিয়ে লক্ষ্য করেছে। ট্যাংকারে আগুন লাগে, তবে পরে তা নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এই ঘটনায় কয়েকজন আহত হয়েছেন।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, ইরান শুধুমাত্র মার্কিন বাহিনীকে লক্ষ্য করছে এবং তাদের উচিত অঞ্চল থেকে সরে যাওয়া।
আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যে বাহরাইনে সাইরেন বেজে ওঠে এবং সৌদি আরব দাবি করেছে যে রাজধানী রিয়াদের দিকে ছোড়া তিনটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তারা ভূপাতিত করেছে। ড্রোনের ধ্বংসাবশেষে কিছু বাড়িঘর সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এছাড়াও জেরুজালেমে সাইরেন শোনা যায় এবং ইসরায়েল ইরান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সতর্কতা জারি করে। লেবাননে চলমান সামরিক অভিযানে ইসরায়েলি সৈন্য এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীরা হতাহত হয়েছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি এই সংঘর্ষ আরও বৃদ্ধি পায় এবং গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথগুলিতে প্রভাব অব্যাহত থাকে, তবে তা বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলা ও অর্থনীতির উপর গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে।

About Author

Advertisement