কলকাতা ভোটার তালিকায় অবৈধভাবে নাম সংযোজন এবং অন্যান্য অনিয়মের অভিযোগে চার আধিকারিক ও এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ নিয়ে রাজ্য সরকার ও কমিশনের মধ্যে সংঘাত আরও গভীর হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে নবান্ন সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের পক্ষে দাঁড়িয়ে এফআইআর নির্দেশ প্রত্যাহারের আবেদন জানিয়েছে।
নবান্ন সূত্রে জানা গেছে, রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের স্পেশাল কমিশনার এই বিষয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক (সিইও)-এর দপ্তরে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন, যা পরে কমিশনের দিল্লি কার্যালয়ে ফরোয়ার্ড করা হয়েছে। সেখান থেকেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। নির্বাচন কমিশন পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্রে কর্মরত ইআরও ও এইআরও-র বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের নির্দেশ সংশ্লিষ্ট জেলাশাসকদের দিয়েছিল।
তবে প্রায় ১৫ দিন কেটে গেলেও সেই নির্দেশ কার্যকর হয়নি। এর মধ্যে সিইও দপ্তর থেকে জেলাশাসকদের দু’বার রিমাইন্ডারও পাঠানো হয়েছে। রাজ্য সরকার এই বিষয়ে অ্যাডভোকেট জেনারেলের কাছ থেকে আইনি পরামর্শ নিয়েছে। কমিশনে পাঠানো চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের কথিত ত্রুটি এতটা গুরুতর নয় যে তাদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা প্রয়োজন।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে যে ছোট অপরাধের জন্য বড় শাস্তি দেওয়া সমীচীন নয়, তাই এফআইআর নির্দেশ প্রত্যাহার করা উচিত। এখন সকলের দৃষ্টি নির্বাচন কমিশনের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকে।









