সঞ্জয় বুধিয়া (ম্যানেজিং ডিরেক্টর – প্যাটন গ্রুপ)
কলকাতা: মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর গতিশীল নেতৃত্বে নতুন সরকারের আনা প্রথম শিল্পনীতি পশ্চিমবঙ্গের শিল্পক্ষেত্রের জন্য একটি বড় পরিবর্তনকারী পদক্ষেপ (গেম-চেঞ্জার) হিসেবে প্রমাণিত হবে। এই নীতি কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ভৌত ও সামাজিক পরিকাঠামোর উন্নয়ন, জীবিকা নির্বাহের সুযোগ এবং আনুষঙ্গিক শিল্প ইউনিট স্থাপনের ক্ষেত্রে সরাসরি গুণক প্রভাব (মাল্টিপ্লায়ার এফেক্ট) ফেলবে। বিশেষত অণু, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের (এমএসএমই) ওপর যে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে, তা সবার জন্য সমান ও ন্যায়সংগত সুযোগ নিশ্চিত করবে।
এই নতুন শিল্পনীতির অন্যতম প্রধান প্রত্যাশা অনুযায়ী, জমি সংক্রান্ত বিধি-বিধান ও আইনগুলোকে সহজতর করা হবে। একই সঙ্গে, বন্ধ হয়ে যাওয়া বা রুগ্ণ শিল্প ইউনিটের দখলে থাকা বিশাল আয়তনের জমিগুলোকে হয় পুনরুজ্জীবিত করা হবে, নতুবা অধিগ্রহণ করা হবে; যার ফলে নতুন শিল্প উদ্যোগের জন্য বড় আকারের ও সুসংহত জমির সংস্থান তৈরি হবে।
তাছাড়া, নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে শিল্পখাতকে বিশেষ কর্মসংস্থান-ভিত্তিক প্রণোদনা প্রদান করা হবে। একই সঙ্গে পুরো রাজ্যজুড়ে সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে, যেখানে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে সেইসব জেলার ওপর, যেগুলোতে জরুরি ও সুনির্দিষ্ট সহায়তার প্রয়োজন রয়েছে। এই উদ্যোগগুলোর জন্য যে সুস্পষ্ট সময়সীমা ও সময়কাল নির্ধারণ করা হয়েছে, তা শিল্পখাতের জন্য অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক। যদিও মানুষের প্রত্যাশা হয়তো আরও বেশি—ঠিক যেন ‘দিল মাঙ্গে মোর’ (মন আরও বেশি কিছু চায়) মনোভাবের মতো—তবুও এটি একটি অনেক বড় প্রেক্ষাপটের কেবল এক ঝলক বা একটি ‘ট্রেলার’ মাত্র, যা সময়ের সাথে সাথে আরও উন্মোচিত হতে থাকবে।
এটি গল্পের শুরু মাত্র, আর এই যাত্রা অব্যাহত থাকবে।





