কোচি: উইমেন্স প্রিমিয়ার লিগের (ডব্লিউপিএল) ২০২৭ মৌসুমের মিনি-নিলাম কোচিতে সম্পন্ন হয়েছে। মোট ২৭টি খালি জায়গার জন্য ১৫০ জন খেলোয়াড় নাম নথিভুক্ত করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত ২৫ জন খেলোয়াড় বিক্রি হয়েছেন, যার মধ্যে ৭ জন বিদেশি এবং ১৪ জন ঘরোয়া পর্যায়ের (আনক্যাপড) খেলোয়াড় রয়েছেন। ইংল্যান্ডের সোফিয়া ডাঙ্কলি ও শ্রীলঙ্কার চামারি আতাপাত্তুসহ ১২৪ জন খেলোয়াড় অবিক্রিত থেকে গেছেন।
১৫ বছর বয়সী উমা কাশভি ডব্লিউপিএল (WPL) নিলামে ইতিহাস গড়েছেন। দিল্লি ক্যাপিটালস তাকে ১০ লাখ রুপি ভিত্তিমূল্যে দলে নিয়েছে, যার ফলে তিনি ডব্লিউপিএল নিলামে বিক্রি হওয়া সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড়ে পরিণত হয়েছেন। কর্ণাটকের বাসিন্দা উমা একজন অলরাউন্ডার। ২০১১ সালের ৯ এপ্রিল জন্মগ্রহণকারী এই ১৫ বছর বয়সী খেলোয়াড় হরিয়ানার দিয়া যাদবের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন; দিয়া গত বছর ১৬ বছর বয়সে দিল্লি ক্যাপিটালসে যোগ দিয়েছিলেন।
ডব্লিউপিএলের ২০২৭ মৌসুমটি আগামী বছরের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হবে।
ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) ইতিমধ্যেই এই নারী টি-টোয়েন্টি লিগের তারিখ ঘোষণা করেছে। ডব্লিউপিএল-এর পঞ্চম আসরটি ২০২৭ সালের ১৪ জানুয়ারি থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। এই লিগে পাঁচটি ফ্র্যাঞ্চাইজি- রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (আরসিবি), দিল্লি ক্যাপিটালস, মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স, গুজরাট জায়ান্টস এবং ইউপি ওয়ারিয়র্জ অংশ নেবে।
ডব্লিউপিএল ২০২৭-এর জন্য পাঁচটি দলই প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। মিনি-অকশনে ইউপি ওয়ারিয়র্জ সবচেয়ে বেশি, মোট ৮ জন—খেলোয়াড় দলে নিয়েছে, যার মধ্যে ৩ জন বিদেশি খেলোয়াড় রয়েছেন। এই নিলামের পর দলটির হাতে ১.১৫ কোটি টাকা অবশিষ্ট রয়েছে।
ডব্লিউপিএল-এ প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজি তাদের স্কোয়াডে সর্বনিম্ন ১৫ জন এবং সর্বোচ্চ ১৮ জন খেলোয়াড় রাখতে পারে।
গুজরাট, মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স এবং ইউপি ওয়ারিয়র্জ- এই দলগুলো তাদের সর্বোচ্চ খেলোয়াড় কোটা পূরণ করে ফেলেছে। অন্যদিকে, দিল্লি এবং আরসিবি-এর স্কোয়াডে বর্তমানে ১৭ জন করে খেলোয়াড় রয়েছেন।
এই মিনি-নিলামে সোফি মলিনাক্স সর্বোচ্চ দাম পেয়েছেন; ইউপি ওয়ারিয়র্স তাঁকে দলে নিতে ১.১০ কোটি টাকা খরচ করেছে। মলিনাক্সের ভিত্তি মূল্য ছিল ৫০ লক্ষ টাকা। নিলামে তিনিই একমাত্র খেলোয়াড়, যিনি ১ কোটি টাকারও বেশি মূল্যে বিক্রি হয়েছেন। ভারতীয় খেলোয়াড়দের মধ্যে কিরণ নভগিরে সর্বোচ্চ দর পেয়েছেন; দিল্লি ক্যাপিটালস তাঁকে ৭৫ লক্ষ টাকায় কিনে নিয়েছে। কিরণের ভিত্তি মূল্য ছিল ৪০ লক্ষ টাকা।
নিলামে এমন কয়েকজন বড় মাপের খেলোয়াড়ও ছিলেন, যাঁদের জন্য কোনো দলই কোনো দর দেয়নি। এর মধ্যে রয়েছেন চামারি আতাপাত্তু ও সোফিয়া ডাঙ্কলি। ৫০ লক্ষ টাকা ভিত্তিমূল্য নিয়ে নিলামে ওঠা ডাঙ্কলি অবিক্রিত থেকে যান। একইভাবে, ৩০ লক্ষ টাকা ভিত্তিমূল্য থাকা সত্ত্বেও আতাপাত্তুর প্রতিও কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি আগ্রহ দেখায়নি।





