যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে ইসরায়েল ও লেবানন সম্মত, হিজবুল্লাহকে অবশ্যই সরে যেতে হবে

IMG-20260604-WA0030

ওয়াশিংটন ডিসি: ইসরায়েল ও লেবানন একটি যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে সম্মত হয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর একটি বিবৃতি জারি করে আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
মার্কিন মধ্যস্থতায় হওয়া এই যুদ্ধবিরতিতে কঠোর শর্ত রয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম হলো, এটিকে পুরোপুরি সফল করতে হলে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহকে অবশ্যই তাদের সব ধরনের হামলা বন্ধ করতে হবে।
গত বুধবার দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত নয়জন নিহত হন। এর জবাবে হিজবুল্লাহ উত্তর ইসরায়েলে রকেট হামলা চালায়, যা এপ্রিলে সংকটময় পরিস্থিতিতে শুরু হওয়া নড়বড়ে যুদ্ধবিরতির প্রচেষ্টার অবসান ঘটায়। এর পরপরই নতুন চুক্তিটি জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়। চুক্তি অনুযায়ী, হিজবুল্লাহর সকল যোদ্ধাকে দক্ষিণ লেবাননের সীমান্ত এলাকা থেকে ‘লিটানি নদী’ পর্যন্ত ইসরায়েলি নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল থেকে সম্পূর্ণরূপে সরে যেতে হবে।
একইভাবে, মার্কিন নির্দেশনায় লেবাননে কিছু বিশেষ ‘পাইলট জোন’ তৈরি করা হবে। লেবাননের সশস্ত্র বাহিনীকে (এলএএফ) এই এলাকাগুলোর ওপর পূর্ণ ও একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ দেওয়া হবে এবং কোনো অরাষ্ট্রীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীকে সেখানে কার্যক্রম চালানোর অনুমতি দেওয়া হবে না।
মার্কিন বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “সকল দেশ একমত যে ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যকার ভবিষ্যৎ সম্পর্ক শুধুমাত্র এই দুটি সার্বভৌম সরকারই নির্ধারণ করবে। তারা লেবাননের ভবিষ্যৎকে কোনো রাষ্ট্র বা অরাষ্ট্রীয় শক্তির কাছে জিম্মি করার যেকোনো প্রচেষ্টাকে প্রত্যাখ্যান করে।”
সোমবার একটি আংশিক যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর এই ঘোষণাটি আসে। সোমবারের চুক্তি অনুসারে, হিজবুল্লাহ ইসরায়েলে হামলা না করার শর্তে ইসরায়েল লেবাননের রাজধানী বৈরুতে বোমা হামলা বন্ধ করতে সম্মত হয়।
একটি পূর্ণাঙ্গ শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্যে আরও আলোচনার জন্য দুই দেশ ২২ জুন পুনরায় বৈঠকে বসবে। এই ঘোষণার বিষয়ে হিজবুল্লাহ এখনো প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেনি।

About Author

Advertisement