ইরানের তেল বাজারে গভীর সংকট: মার্কিন অবরোধে প্রায় শেষ ভাণ্ডার ক্ষমতা‎‎

15biz-iran-oil-articleLarge

নয়াদিল্লি: ইরান-এর তেল বাজার বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র-এর নিষেধাজ্ঞা এবং হরমুজ প্রণালী-এ নৌ অবরোধের কারণে তীব্র সংকটের মুখে পড়েছে। সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপ-এ সংরক্ষণ ক্ষমতা প্রায় সম্পূর্ণভাবে পূর্ণ হয়ে গেছে, ফলে দেশটিকে তেল কূপ বন্ধ করার ঝুঁকির মুখে পড়তে হতে পারে।‎বিশেষজ্ঞদের মতে, রপ্তানি পরিস্থিতির উন্নতি না হলে আগামী ১২ থেকে ১৩ দিনের মধ্যেই ইরানের কাছে অপরিশোধিত তেল সংরক্ষণের আর কোনও জায়গা অবশিষ্ট থাকবে না। এই চাপ সামাল দিতে ইরান তার প্রায় ৩০ বছর পুরনো নিষ্ক্রিয় ট্যাঙ্কার ‘নাশা’কে পুনরায় সক্রিয় করে ‘ফ্লোটিং স্টোরেজ’ হিসেবে ব্যবহার শুরু করেছে, যাতে সমুদ্রে অতিরিক্ত তেল সংরক্ষণ করা যায়।‎এদিকে, স্কট বেসেন্ট সতর্ক করে বলেছেন, ইরান খুব শীঘ্রই তার সংরক্ষণ সীমায় পৌঁছে যেতে পারে। ইরানের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হল, তারা তেল উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ করতে পারছে না, কারণ পানি ইনজেকশন প্রযুক্তি ব্যবহৃত কূপগুলি বন্ধ করলে স্থায়ী ক্ষতির আশঙ্কা থাকে।‎মার্কিন অবরোধ শুধু ইরানের তেল রপ্তানিকেই বাধাগ্রস্ত করেনি, বরং দেশের অর্থনীতিকেও চাপে ফেলেছে। যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও ইরান খার্গ দ্বীপ থেকে সরবরাহ বজায় রাখার চেষ্টা করছে, তবে ধীরগতির রপ্তানি এবং বাড়তে থাকা সংরক্ষণ সংকট তেহরান-এর জন্য একটি বড় কৌশলগত ও অর্থনৈতিক ঝুঁকি হিসেবে দেখা দিচ্ছে।

About Author

Advertisement