কাঠমান্ডু: হরমুজ প্রণালীতে ইরান ও আমেরিকার মধ্যে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। আমেরিকা ন্যাটো দেশগুলিকে সতর্ক করে বলেছে, যদি তারা এই জলপথ খুলে দিতে সহযোগিতা না করে, তবে তা ন্যাটোর ভবিষ্যতের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
আমেরিকার অবস্থান:
রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে “ধ্বংস করা প্রয়োজন” বলে উল্লেখ করেছেন।
আমেরিকার কাছে পর্যাপ্ত নৌবাহিনী ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নেই বলে জানা গেছে।
ট্রাম্প সমুদ্রে বারুদি মাইন বসিয়ে ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা করেছেন।
তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে, যার ফলে বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রভাব পড়তে পারে।
ভারতের অবস্থান – পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর
জয়শঙ্কর বলেছেন, সামরিক চাপের বদলে কূটনীতি বেশি কার্যকর।
তিনি ট্রাম্পকে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে সমস্যার সমাধান সংলাপ ও সহযোগিতার মাধ্যমেই সম্ভব।
ইউরোপীয় উদ্যোগ:
ফ্রান্স ও ইতালি ইরানের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে, যাতে তেলবাহী জাহাজের চলাচল আবার স্বাভাবিক করা যায়।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে এটি প্রধান আলোচ্য বিষয় হবে।
ব্রিকস ও ভারত:
ভারত ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে ব্রিকসের সভাপতিত্ব করছে।
ব্রিকসে ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন, দক্ষিণ আফ্রিকা, ইন্দোনেশিয়া, ইথিওপিয়া, মিশর, ইরান, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
আমেরিকার ট্রাম্প ব্রিকসকে “আমেরিকা-বিরোধী” বলে আখ্যা দিলেও ব্রিকস স্পষ্ট করেছে যে এর উদ্দেশ্য অন্য কোনো গোষ্ঠীর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করা নয়।
হরমুজ প্রণালীর গুরুত্ব:
এটি ইরান ও ওমানের মধ্যে অবস্থিত একটি সংকীর্ণ সামুদ্রিক পথ, যার মাধ্যমে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল পরিবাহিত হয়।
ভারতের প্রায় ৮৫ শতাংশ তেল ও গ্যাস এই পথ দিয়েই আসে।
উপসাগরীয় দেশগুলির সঙ্গে তেল বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে এটি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।









