দিনহাটা: আগামী বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে দিনহাটার পেটলার বোরডাঙ্গা এলাকায় তৃণমূলের কর্মী সভায় প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামানিক সহ বিজেপি নেতা কর্মীদের হুঁশিয়ারি দিলেন সাংসদ জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া। এদিনের এই সভায় জগদী শ হুঁশিয়ারি সুরে বলেন,”বিধানসভা ভোটের পর টিকিট কেটে দিল্লিতে পালাবেন না বাড়িতে থাকবেন। আগামী ২৬ এর বিধানসভা ভোটের পর ডিজেও বাঁচবে খেলা হবে।” দিনহাটা এক ব্লকের পেটলা গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত বোরডাঙায় তৃণমূলের কর্মীসভা থেকে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামানিককে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন সাংসদ জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া। সংসদের এই বক্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে। এদিন এই সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ নুর আলম হোসেন, জেলা পরিষদের সদস্যা শ্রাবণী ঝা, তৃণমূল নেতা নোরেশ বর্মন, করুণাকান্ত রায় সহ অনেকেই। এদিন সভায় সাংসদ জগদীশ কেন্দ্রের শাসকদলের নেতাকর্মীদের হুঁশিয়ারি সুরে বলেন, “একজন সোনার দোকানের ডাকাত যাকে পুলিশ কোমরে দড়ি বেঁধে নিয়ে গিয়েছে সে আমার বিরুদ্ধে কথা বলে। লজ্জা থাকা উচিত। পাঁচ বছর সাংসদ ছিলেন, কেন্দ্রের মন্ত্রী ছিলেন অথচ দিনহাটা সহ কোচবিহারের কোন উন্নয়ন করতে পারেননি। বিজেপির মহিলারা হাত পেতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লক্ষীর ভাণ্ডার নিচ্ছে। এই টাকাটা ফেরত দেওয়া উচিত।যেটা বিজেপিরা বলে ভিক্ষা, লজ্জা করে না।” সাংসদ আরও বলেন,”বিনা পয়সায় চাল খাচ্ছেন, কন্যাশ্রীর টাকা নিচ্ছেন, কৃষক বন্ধুর টাকা নিচ্ছেন আর ভোটটা পদ্মফুলে দিচ্ছেন। বিজেপি কোন উন্নয়ন করেনি শুধু হিন্দু ও মুসলমান দুজনের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করা ছাড়া। বিনা পয়সায় চাল খায় আর জয় শ্রীরাম বলে চিৎকার করে। এমন দিন আসবে সেদিন আর জয় শ্রীরাম মুখ দিয়ে বের হবে না।” পাল্টা বিজেপির জেলা সহ-সভাপতি বিরাজ বসু বলেন,” ২৬ শে নির্বাচনে তৃণমূলের বিদায় ঘন্টা বাজবে সেটা বুঝে গিয়েই ওই দলের নেতাকর্মীরা। তাই কোচবিহারের সাংসদ জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া আবোল তাবোল বকছে। রাজ্যের মানুষ এদের রাজ্য থেকে বিতাড়িত করে শান্তির পরিবেশ ফিরিয়ে আনবে। দুর্নীতি মুক্ত সরকার গড়বে। রাজ্যের মানুষ শুধু নয় গোটা দেশের মানুষ দেখেছে বর্তমান রাজ্যে যে সরকার চলছে সেই সরকার চাকরি চোরের সরকার। মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়ার সরকার। এদেরকে বিতাড়িত করার সেই অপেক্ষায় রয়েছে তারা। বিরাজ আরো বলেন, খুব সামনেই সেই দিন আসছে ভোটের মধ্য দিয়ে বিজেপি সরকার গঠন হবে তারপর তৃণমূল নেতাকর্মীদের খুঁজে পাওয়া যাবে না। মানুষকে ভয়-ভীতি ও সন্ত্রাস চালিয়ে ক্ষমতায় থাকার চেষ্টা করছে তৃণমূল। এতে লাভ কিছু হবে না।










