সামসিং: দার্জিলিং লোকসভা সাংসদ রাজু বিষ্ট আজ সামসিংয়ের শিবালয় মন্দিরে অনুষ্ঠিত বিশ্বশান্তি একাদশ শিব মহাপুরাণ জ্ঞান মহাযজ্ঞে অংশগ্রহণের করেন। পাশাপাশি তিনি সামসিং চা বাগানের টপলাইনে আদিকবি ভানুভক্ত আচার্যকে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন।
সাংসদ জানায় যে এখানে উপস্থিত সকল গণ্যমান্য ব্যক্তি ও অসংখ্য ভক্তদের সঙ্গে এই পবিত্র ও আধ্যাত্মিক পরিবেশে সময় কাটাতে পারা তাঁর কাছে এক বিরাট সৌভাগ্যের বিষয়।

এছাড়াও তিনি কামনা করেন যে, এই মহাপুরাণ থেকে উদ্ভূত ঐশ্বরিক শক্তি ও প্রেরণায় জনগণের সকল মনোকামনা পূর্ণ হোক, সমাজ, জাতি ও অঞ্চলের সব সমস্যার সমাধান হোক, সবার ভবিষ্যৎ হোক নির্বিঘ্ন, সমৃদ্ধ ও আনন্দময়। এই শুভকামনার সঙ্গে সঙ্গে তিনি মহাযজ্ঞের সফল সমাপ্তির জন্য শুভেচ্ছা জানান।
এই উপলক্ষে সাংসদ তাঁর কাহিনি-বাচন ও দিব্য বাণীর মাধ্যমে সমগ্র দর্শকবৃন্দকে মুগ্ধ ও উপকৃত করার জন্য কথাবাচক পণ্ডিত শ্রী রবি ঘিমিরে ও অন্যান্য বিদ্বজ্জনদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে মহাপুরাণ আয়োজক কমিটিকে ধন্যবাদ জানান।
অন্যদিকে, সামসিং চা বাগানের টপলাইনে আদিকবি ভানুভক্ত আচার্যকে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করে সাংসদ সামাজিক মাধ্যমে উল্লেখ করেন যে, আদিকবি ভানুভক্ত রামায়ণকে সহজ সাধারণ নেপালি ভাষায় অনুবাদ করে লোকজ ছন্দে উপস্থাপন করেছিলেন, যার ফলে এই মহাকাব্য সাধারণ মানুষের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। এর মাধ্যমে নেপালি ভাষা সকল গোর্খা উপ-জাতিগোষ্ঠীকে একসূত্রে বাঁধা এক সাংস্কৃতিক মাধ্যম হিসেবে বিকশিত হয়েছে।
শেষে সাংসদ বলেন, ভারতীয় গোর্খাদের মধ্যে—বিশেষত দার্জিলিং পাহাড়, তরাই ও ডুয়ার্স অঞ্চলে—ভানুভক্তের সাহিত্যকর্ম একটি যৌথ ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক পরিচয় এবং গর্বের ভিত্তি হয়ে উঠেছে। গোর্খা ঐক্যের সুতোর মতো তাঁর উত্তরাধিকার আজও সকলের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস এবং সাম্প্রদায়িক ঐক্যের বন্ধন হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে।










