কলকাতা: এসএসসি মামলায় জামিন পাওয়ার পর প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিধানসভায় সক্রিয় ভূমিকা ফের আলোচনায় এসেছে। এবার তাঁকে বিধানসভার দুটি গুরুত্বপূর্ণ কমিটির সদস্য করা হয়েছে। বিধায়ক পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে বিধানসভার গ্রন্থাগার কমিটি এবং আবাসন, অগ্নিনির্বাপন ও জরুরি পরিষেবা বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
বিধানসভা সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক প্রশাসনিক পুনর্গঠনের অংশ হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পর রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে, বিশেষ করে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে আলোচনা আরও জোরদার হয়েছে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, পার্থ চট্টোপাধ্যায় বর্তমানে রাজ্য সরকারের মন্ত্রী নন, তবে একজন নির্বাচিত বিধায়ক হিসেবে তাঁর পদ বহাল রয়েছে। বিধানসভার নিয়ম অনুযায়ী, মন্ত্রীরা সাধারণত স্থায়ী বা স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য হন না। মন্ত্রিত্ব থেকে অপসারিত হওয়ার পরই তাঁকে এই কমিটিগুলিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পর রাজ্য সরকার তাঁকে মন্ত্রিসভা থেকে সরিয়ে দেয়। একইসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসও তাঁকে দলের সব পদ থেকে সাসপেন্ড করেছিল।
পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ‘ফেরার’ প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর কটাক্ষ:
বিধানসভার স্থায়ী কমিটিতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে অন্তর্ভুক্ত করার ঘটনায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী কটাক্ষ করেছেন। তিনি বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসে দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত নেতাদের ‘পুরস্কৃত’ করার একটি রেওয়াজ তৈরি হয়ে গেছে। শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে প্রার্থীও করতে পারে।
এছাড়াও তিনি অভিযোগ করেন, হুমায়ুন কবিরকে সামনে রেখে দলটি সংখ্যালঘু ভোটারদের কাছে পৌঁছনোর কৌশল নিয়ে কাজ করছে।










