নয়াদিল্লি: ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)-এর মধ্যে প্রস্তাবিত ফ্রি ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট (এফটিএ)-কে আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আক্রমণাত্মক ট্যারিফ নীতির জবাব হিসেবে দেখা হচ্ছে। ২৭ জানুয়ারি উচ্চস্তরীয় শীর্ষ বৈঠকে উভয় পক্ষের নেতারা এই চুক্তির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করতে পারেন।
ইউরোপীয় কমিশনের সভাপতি উরসুলা ভন ডার লেয়েন এবং ইউরোপীয় কাউন্সিলের সভাপতি আন্তোনিও কোস্তা ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। এটিকে ভারতের বহুমাত্রিক কূটনীতি ও বাণিজ্যিক বৈচিত্র্যকরণের কৌশলের ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত মার্কিন ট্যারিফ চাপ থেকে স্বস্তি চায়, আর ইইউ চীনের ওপর অতিরিক্ত বাণিজ্যিক নির্ভরতা কমাতে উদ্যোগী। লন্ডনভিত্তিক থিঙ্ক ট্যাঙ্ক চ্যাথাম হাউসের ক্ষিতিজ বাজপেয়ী বলেন, এই চুক্তি প্রমাণ করে যে ভারতের পররাষ্ট্রনীতি কোনো একক শক্তিকেন্দ্রের ওপর নির্ভরশীল নয়।
গত চার বছরে এটি হবে ভারতের নবম এফটিএ। এর ফলে বস্ত্র, ওষুধ, ইস্পাত ও যন্ত্রপাতির মতো খাতে ট্যারিফ কমার আশা করা হচ্ছে। তবে কৃষি, ডেয়ারি এবং কার্বন বর্ডার অ্যাডজাস্টমেন্ট মেকানিজম (সিবিএএম)–এর মতো বিষয়গুলো এখনো আলোচনার বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে রয়েছে।










