নয়া দিল্লি: ইরানের অবনতি ঘটে যাওয়া অর্থনৈতিক অবস্থার কারণে অসন্তুষ্ট জনতা সড়কে নেমেছে। বৃহস্পতিবার এই বিক্ষোভ রাজধানী তেহরান থেকে প্রদেশগুলোতেও ছড়িয়ে পড়েছে। বিভিন্ন স্থানে নিরাপত্তা বাহিনী এবং বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত সাতজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হয়েছে।
এই ঘটনাগুলো থেকে ইঙ্গিত পাওয়া যায় যে ইরানি সরকার বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর মনোভাব নিয়েছে, এবং বিক্ষোভকারীরাও নিজেদের প্রতিবাদে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে। তেহরানে বিক্ষোভ তুলনামূলকভাবে ধীর গতির হলেও অন্যান্য শহরে এর তীব্রতা বেড়েছে। বুধবার দুই এবং বৃহস্পতিবার পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনাগুলো চারটি শহরে ঘটেছে, যেখানে লুর জাতিগত সম্প্রদায়ের সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে।
প্রদেশগুলোতে আন্দোলনের তীব্রতা:
এই আন্দোলন ২০২২ সালের পর ইরানে সবচেয়ে বড় বিক্ষোভের মধ্যে গণ্য করা হচ্ছে। ২০২২ সালে পুলিশ হেফাজতে ২২ বছর বয়সী মহসা আমিনী মৃত্যুর পর দেশব্যাপী বিক্ষোভ ঘটে।
অর্থনীতি সংক্রান্ত সহিংসতার সবচেয়ে বেশি ঘটনা ঘটেছে লোরেস্তান প্রদেশের আজনা শহরে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত ভিডিওতে দেখা যায় রাস্তার আগুন এবং গুলির শব্দ, সেই সঙ্গে মানুষ প্রতিবাদের স্লোগান দিচ্ছে।
অর্ধ-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফার্সের প্রতিবেদনে তিনজনের মৃত্যুর খবর জানানো হয়েছে। অন্যান্য মিডিয়া প্রতিষ্ঠানগুলোও ফার্সের সূত্রের মাধ্যমে এই ঘটনাগুলো সংবাদ করেছে।







